কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৭ জুন, ২০২১

সাদা-কালো

কোনটা সাদা, কোনটা কালো বোঝা ভারী দায়ে হরেক রকম, মানুষ দেখি এই সুন্দর দুনিয়ায় । এসেছিলাম একা যেতেই হবে একা শূন্য হাতে এক কাপড়ে দূরে বার্তা সব পিছুটান ফেলে রইবো পরে, মাটির ঘরে । "আল্লাহতালা" নাম বলে যাও সবে তিনি তো করবেন মোদের পার । ডানদিকে বেহেস্ত আর বামদিকে দোজখ , জিকির করো, পড়ো নামাজ রোজা রাখো । নবীজির নাম স্মরণ করো নামাজ পর তোমরা সবে সবে সেজদা করো দিনে রাতে । সাদা মনের মানুষ গুলো চেয়ে দেখো তাদের মনে নেইকো কোন কালো আল্লাহপাকের কাছে মাফ চাও ত্যাগ করো যত প্রকার কালো, নিজের পথ, নিজেই গড়ি । সুখে থাকি এক সাথে বাঁচিমরি রাখো ঈমান তোমার হাতে, ভালো কাজের মূল্য বিশাল স্রষ্টা হবেন তাদের উপর খুশি লেখা আছে ,এই তো বিধির বিধান ।

একটি চাঞ্চল্যকর শহরের মৃত্যু ঘটেছে

কেন? একটি চাঞ্চল্যকর শহরের মৃত্যু ঘটেছে আজ কুকুর শিয়ালে মিশে ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাচ্ছে পচা ফুলে ওঠা লাশের মাংস । কেন দুর্ভিক্ষ রাহাজানি দ্বারে দ্বারে ? চকচকে রংচঙা উচ্চ অট্টালিকা গুলো হয়েছে ধূসর পাল্টে গেছে বিলাসিতার বেশভূষা, আকাশে নেই সাদা মেঘের ভেলা শূন্যে শুধু শকুনে করে খেলা কেন ? রোদ্রের খরতাপ বাড়ছে তিলে তিলে নেই নেই কোনো অস্তিত্বর চিহ্ন পর্যন্ত নেই। আজ একটি প্রাণ চাঞ্চল্যকর শহরের মৃত্যু ঘটেছে ….. পৃথিবীর বুকে চিরে আজ একটি শহরের মৃত্যু ঘটেছে । রূপে গুণে বর্ণালী প্রকৃতি যেন থেমে গেছে হয়েছে বিলীন, অশুভর বার্তা ও অপবিত্র আত্মা বাজিয়েছে মৃত্যুর ঘন্টা । পূর্ণিমার চাঁদ আর দেখতে ভালো লাগে না, কেন ? বাতাসে বাতাসে পচা লাশের গন্ধ ভেসে বেড়ায় আর কবি কবিতা লিখে না লেখক আর লিখে না গল্প। তারা সবাই হয়েছে আজ নিস্তব্ধ, নিশ্চিন্হ হয়ে গেছে শব্দ । হয়, মানবহীন শহর উত্তপ্ত মরুভূমির বালুরাশি যেন গ্রাস করে নিয়েছে সবুজ বনানীকে, লাল রক্তে ছিটে ফোঁটা ভোরে মাটির সাথে করে মাখামাখি; আজ, একটি প্রাণ চাঞ্চল্যকর শহরের মৃত্যু ঘটেছে মানব শূন্য শহরের বুকে আজ পিশাচের ডাক। শুনতে কি পাও? শুনছো কি? একটি চাঞ্চল্যকর শহরের মৃত্যু ঘটেছে আজই। Date:14-5-2020

আছো কাছে

আছো কাছে সন্ধ্যা বেলার বৃষ্টি ভেজা সুভাষ মাখা ফুলের তোরা, তোমার দিলাম, রঙিন স্বপ্নে তোমার দেখি । নয়ন জুড়ে, মায়ার অচল ভোরে দূরে যেয়েও তুমি আছো কাছে তুমিই আছো তুমি রইবে এই মন জুড়ে ।

শেষ অধ্যায়

বইয়ের একটি শেষ পাতা। পড়ছিলাম বারান্দায় বসে, আমার বাসার বারান্দার সামনে বড় terrace বাবা লাগানো হাসনাহেনা ,গন্ধরাজ ,জবা ,গোলাপের সুবাস মাখামাখি করছে । বসন্তকালে শেষ সপ্তাহ। আমার আধখানা বইয়ের পৃষ্ঠা নিস্তব্ধ নিশ্চুপ, মনে পড়ছিলাম " তপ্ত পরিসরে" জাগিলো নয়নে । দুটি নয়ন যেন এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে প্রেমিকার দিকে, প্রেমিকার হাতের ফুল কবি সেটাই বলে। প্রেমিক হৃদয়ে আবেগ, ছড়ালো ভালোবাসা। কবি সেটাই বলে তার কবিতায়। বইয়ের পাতায় লেখা কবিতার কবি কবিতা লিখেছেন। কবিতা ফুরিয়ে যায় না। বই শেষ পৃষ্ঠা। জুড়ে আঁকা রঙিন ছবি, ছোট ছোট মুখ পশুপাখি। মোবাইল ফোনে। আমার কল বেজে উঠলো। অফিস থেকে কল এসেছে। Email চেক করতে হবে । আজ তবে এই আটখানা থাক পৃষ্ঠা। পরে পড়বো বলে।

ক্ষতের চিন্হ

আলিঙ্গন করেছে মানুষ অতৃপ্ত আত্মাকে দেহ হতে খসে পরছে মরা চামড়া ধর্ষিতা নারীরা পাবে কি ? তাদের বিচার, তাদের দেহ হইতে শুধু লাঞ্ছনার আর এক একটি ক্ষতর চিহ্ন আর আছে আঁচড়ের দাগ । অবাধ্য পুরুষেরা, সমাজে করছে সন্ত্রাস খাবলে খাচ্ছে পুরোটি শরীরের হাড় ও মজ্জা লজ্জায় নগ্ন হচ্ছে নারীর ভূষণ । মানুষের আর্তনাত আর কতদিন ? কতদিন শুনতে হবে তাদেরই লুকানো আর্তনাত কেন মাটি ভিজে যাচ্ছে রক্তে বারে বারে, কেন মাটি কেঁপে উঠেছে ? ভরে যাচ্ছে , গুবরে পোকায় ।। পৃথিবীতে তাহলে কি ধর্ষিতাদের, জায়গা নেই জায়গা কি হবে না, তাহলে কি ফুটবে না বিয়ের ফুল কেউ কি দেখবে না বাসর তাদের নিয়ে ? তারাও হতে পারে কারো প্রেমিকা বা অর্ধাঙ্গিনী মুখোশের আড়ালে মানুষরুপি –জানোয়ারেরা কেবল স্বপ্ন ভঙ্গ করতে জানে গড়তে জানে না পূর্ব ইতিহাস রক্ত যেন হিঁম হয়ে গেছে চামড়া হয়েছে রক্তাক্ত । স্বপ্ন এখন শুধুই"আলেয়ার আলো" ধর্ষিতার স্বপ্ন বৃথা হয়ে যাবে সন্তুষ্ট হওয়া কেবল দূর স্বপ্ন । বুকের মধ্যে ভাঙাচোরা অবৈধ প্রেমের ফসল হল, কচি নতুন প্রাণ লোককে বলে সেটা কেবল অদৃষ্টের পরিহাস নিকৃষ্ট জাত - কুলাঙ্গার মাত্র নিষ্পাপ, মূল্যহীন কচি প্রাণ শুধুই মৃত্যুর ছোবলে নষ্ট হচ্ছে কত শত নবজাতক তোদের কি দোষ বললো ? তোমাদের পাপের বোঝা কেন বহন, করবে ওই নিষ্পাপ প্রাণগুলি । এই প্রশ্ন, আজ আমি রেখে যাই সেই সব মানুষদের কাছে দেহ ভোগী মানুষরা শোনে না নারীর লুকানো আর্তনাদ ক্ষতের চিন্হ আর কত বয়ে বেড়াবে তারা এই শতাব্দীর দারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে পৃথিবীর বুকে ।

ঝড় এলো এক রাশ বৃষ্টি

মেঘের গর্জন শোনা বৃষ্টি আসবে বলে। হুশিয়ার বিদ্যুৎ তড়িত গতিতে চমকায, বৃষ্টির প্লাবনে বলে নামবে বৃষ্টি, ঝরবে আকাশ পানে । ঝড়ো হাওয়ার তাণ্ডবে দক্ষিণ; পবন হইতে উত্তর পবনে । বৈশাখ এসেছে দুয়ারে দুয়ারে, ঝড়ো হাওয়ার আঁধার এলো । পরিসরে ঝড় আসবে বলে, মেঘবরণে বৃষ্টি আসছিলো আকাশ জুড়ে , এক রাশ বৃষ্টি ; জমেছে কালো মেঘ উত্তর কোণে বাতাস বইবে হুহু করে এসেছে বৈশাখ দুয়ারে দুয়ারে, এক রাশ বৃষ্টি ঝড় এলো আকাশ পানে মেঘবরণে ।

"বন্ধু হও"

তারিখ ঃ ৩-৫-২০২১ বন্ধু হারা বন্ধু হও। হয়েও না দুর্বল, হয়োনা পথভ্রষ্ট। এবং দিশেহারা, হাও জীবনসঙ্গী আলো জ্বালো তারি বুকে। বন্ধু হাও মায়াবতী, ছেড়ো না কোন বন্ধুর হাত, ছেড়ে দাও লোভ এবং পাপ বন্ধুরা সবই পারে, হাতে রেখে হাত, বন্ধু তুমি হও স্মৃতি এক বন্ধু ,অন্য বন্ধুর মুখের হাসি ।

সোমবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৮

তুলে রাখি

জানিনা কবে মিলবে সমাধান
সবকিছু এলোমেলো
যায় যতদূর চোখ পরে 
নির্দ্বিধায় প্রদীপ নিভে যায়
অন্ধকার মনো ময়ে
অচিন লীলাখেলা
তুলে রাখি এই হৃদয়ে
অতি তুচ্ছ তাছিলো
জীবনটা বড়োই  একা
রঙিন বাস্তবের শিকল পরা বন্ধি  জীবন
ভয়ে হয় যদি নেই নেই ঠাঁই ।

বুধবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৮

পাতা ঝরা

পাতা ঝরা দিনগুলি 
ফাগুনের শেষ সপ্তাহ
নিবে তুমি ফুল?
লাল গোলাপ ফুল
নিবে কি ?
না কুঁড়ি
চারিদিকে শুধু রং আর রং
মেখে নিবো ভালবাসার রং
তার চোখে ও মুখে, সুখের হাসি
ফাগুনের শেষ দিনে
বেলী ফুল তার হাতে
গতকাল ছিল বৃস্টি ভেজা রাত
বসন্তের শেষ সপ্তাহের রাত
একলা হওয়া একটি নিদ্রাহীন রাত  ।

মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৮

বৃথের সাথে সন্ধি-২

আমি ভুলে যাই অতীতের দিন
নিঃস্বঙ্গতা আমাকে গ্রাস করে প্রতিবার
এই ছন্নছাড়া জীবনে স্বীকৃতি মূলক প্রতিদান
পাই কি না পাই
যদি পেতাম একটু ঠাঁই
খুঁজে নিতাম সেই মানুষ গুলোকে
কে হবে নিবাক চলন্ত ছবির
নায়ক অথবা নায়িকা?
পাবে কি খোঁজ...
একটু ঠাঁই পাবে কি মোর চরণে
বৃত্তের সাথে সন্ধি
আমি বৃত্তবন্ধী  ।   

বৃত্তের সাথে সন্ধি

গানের কথা স্বরলিপি 
আজ লেখা হলো
কে তুমি, বলো না
স্বপ্নের মাঝে, অবিরত
উদ্সর্গ উম্মোচন
কে তুমি, বলে দাও আমায়
সামনে বিলাস জলরাশি
তুবও মিটে না, পিপাসা
মনের আকুলতা
স্বর্গ হতে, স্বর্গীয় দূত
কে তুমি, নীলিমার নীল
বৃত্তের সাথে সন্ধি ।

   

সোমবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৮

চিঠির শুরুটা ঠিক এই ভাবে


চিঠির শুরুটা ঠিক এই ভাবে
প্রিয় তুমি ।।
জীবনের অনেকটা পথ আমরা
এক সাথে পার করেছি
কেটেছে অনেক সময়ে, একত্রে
তুমি ছিলে অন্য জগতে আর আমি
আমার কথা,নাই বা বললাম ।
মনের ভিতরে মরিচা পড়া
স্মৃতিগুলো আবার জেগেছে 
জেগে উঠছে, আপন  মনে
জীবনের মাঝ পথে এসে
থামতে হলো ।
তোমাকে কাছে পেলাম না
তোমার পাশে থাকা
হলো না আমার
কিন্তু মরণের পর ওপারে 
আমি তোমারি হতে চাই
ওই জীবনে আমরা হয়তো বা
মানুষ রূপে কেউ থাকবো না
হয়তো হবো
গাছ কিংবা লতা পাতা
জড়িয়ে থাকবো 
ঠিক যেন আলিঙ্গন করছে
দুইটি মানুষ এঁকে অন্যকে
হংসমিঠুনও হতে পারি
পানির উপর
ভাসবো দুইজন, আপন মনে ।
পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যাচ্ছি
 বেঁচে আছি আর মাত্র কয়েক ।





বন্ধন নামক শব্দটা

ভালোবাসা হয় স্বার্থপর
নিজের সাথে বোঝাপড়া
কতদিন আর ?
বন্ধন, নামক শব্দটা
যেন পৃথিবী থেকে
বিলুপ্ত হতে, বসেছে ।
প্রয়োজন ছাড়া কি মানুষকে
আবার কেউ খুঁজে ?
প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে
কেউ, চিনেই না ।
এটাই, মানুষের ধর্ম
যারা মেয়েদের,কলঙ্কিনী বলে
আখ্যায়িত করে,তারা কি জানেন ?
মেয়েদের কত কষ্ট
মেয়েরা তাদের কত কষ্ট
বুকে  নিয়ে চড়ে বেড়াই,
দিক বেদিক ।
কয়েকদিন পর,হয়তো শুনবে,
ভালোবাসা নামক
বস্তুটিকে বেচাকেনা চলছে জনসমর্থে  
টাকার বিনিময়ে ভালোবাসা
স্বার্থপর ভালোবাসা
হয়তো দেখতে হবে বিলবোর্ড
ভালোবাসার নামে ।